সেবা রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বাংলাদশের

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে  সেবা রপ্তানি খাতের আয় বিগত বছরের থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের সমন্বিত উন্নয়ন ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা রপ্তানিতে আয় বিগত বছরের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিভিন্ন খাতে বিদেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানি খাত বৃদ্ধি , তরুণদের আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান, কাজের সন্ধানে দেশের মানুষ বিদেশে এবং অনাবাসি (এনআরবি) বাংলাদেশীরা দেশে আসাতে দেশে পণ্য বহিৰ্ভূত বিভিন্ন প্রকার সেবা রপ্তানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং প্রতিবছর এ হার  আশাব্যাঞ্জক ভাবে বাড়ছে।

ইপিবি-এর তথ্য মতে বেশি সেবা এসেছে পরিবহন খাতে। জলপথ, স্থলপথ, আকাশপথ ও রেলওয়ে সেবা রপ্তানি হয়েছে ৪৩১ মিলিয়ন ডলারের। এ খাতে গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৩১৬ বিলিয়ন ডলারের সেবা। সরকারি সেবা খাত ও অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবৃদ্ধিতে। উপখাতগুলোর মধ্যে ‘অন্যান্য ব্যবসায় সেবা’ থেকে এসেছে ৫০ কোটি ২৮ লাখ ডলার। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। দেশের বন্দরগুলোতে পণ্যবাহী জাহাজগুলোর ক্রয়কৃত পণ্য ও সেবা এবং মার্চেন্টিংয়ের অধীনে পণ্য বিক্রির আয় ও রয়েছে। আর্থিক সেবা খাত থেকে ৮ কোটি ৮৫ লাখ ডলার এবং ভ্রমণ সেবা উপখাত থেকে ২৯ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে।

দেশের সঙ্গে বিদেশী রাষ্ট্র গুলোর সুসম্পর্ক গড়ে ওঠার ফলে দেশের সেবা রপ্তানি বাড়ছে। সুসম্পর্কের ফলে দেশের তৈরিকৃত সেবা বা পণ্য বিদেশের মাটিতে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে। শুধুতাই নয় আমাদের দেশের সেবার মান প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের থেকে তুলনামূলক ভাবে উন্নতমানের যা প্রতিযোগীতাময়  বাজারে টিকে থাকতে আমাদের সাহায্য করছে এবং বহিঃবিশ্বে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক মনোভাব। গত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়াও সরকারের সুনজর রয়েছে সেবা রপ্তানি খাতে যা প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে ত্বরান্বিত করেছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২৪ শতাংশ থেকে আরও  বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।