আশুলিয়ায় সেনাকর্মকর্তা হত্যায় জড়িত সন্দেহে আটক ১

আশুলিয়া ব্যুরো : আশুলিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট আরিফুল ইসলাম নিহতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইসমাইল হোসেন সজিব (৩৩) নামে একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে আরো ৪ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৪। তবে তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করেনি র‌্যাব। বৃহস্পতিবার সকালে ডেন্ডাবর পূর্বপাড়া এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে ঘাতক ইসমাইল হোসেন সজিব কে আটক করতে সক্ষম হন পুলিশ। পৃথক অভিযানে র‌্যাব-৪ এর একটি দল সঙ্গীয় অপর ৪ জনকে আটক করেছে বলে জানায় পুলিশ।

এ ব্যাপারে উপ-পরিদর্শক নয়ন জানান, নিহতের স্ত্রী বিউটি আক্তার জুঁই অজ্ঞাতদের  আসামী করে থানায় হত্যা মামলা রুজু করেছেন। এ ঘটনায় মোবাইল সূত্র ধরে তদন্ত সাপেক্ষে সজিবকে তিনি আটক করেন। তিনি আরো বলেন, একই সূত্র ধরে র‌্যাব-৪ অভিযান চালিয়ে আরো ৪ জনকে আটক করেছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। তবে তাদের থানায় হস্তান্তরের পর তাদের পরিচয় জানা যাবে বলে জানান। এ হত্যাকান্ডের সাথে যারাই জড়িত তাদের গ্রেফতার করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য গত ২ জুন শনিবার রাত অনুমান আড়াইটায় কেউ মোবাইল ফোনে জানায় কাজের জন্য বালু এসেছে। এরপর তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফিরেননি। সকালে তাকে আহতাবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার (৪ জুন) ভোর রাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেনা সার্জেন্ট আরিফুল ইসলামের মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ ময়না তদন্ত শেষে নিহতের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

নিহত সেনা সদস্য আরিফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ সদর থানার চন্দ্রদিগুলী গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারসহ আশুলিয়ার ডেন্ডাবর কবরস্থান রোডে এনামুল হকের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

নিহতের ভাই তরিকুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আরিফুল ইসলাম এখানে বেসরকারি একটি বহুতল নির্মাণাধীন ভবনের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি ভবনের জন্য বালু ও পাথর সরবরাহ করে আসছিলো। গত শনিবার রাতে অনুমান আড়াইটার দিকে কেউ ফোন করে জানায়, কাজের জন্য বালু এসেছে। ফলে তিনি বের হয়ে সেখানে যান। পরে ভোরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।