৯০ কিলোমিটার পথ কমালো ধরলা সেতু

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামবাসীর ঈদ উপহার হিসেবে ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ব্রিজটি উদ্বোধন করেন।

এ সেতুটির মাধ্যমে ভূরুঙ্গামারী স্থলবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকার সঙ্গে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পথ কমে গেল। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বড় ভূমিকা রাখবে ব্রিজটি। ব্রিজটি চালু হওয়ায় ফুলবাড়ি, নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী উপজেলাসহ লালমনিরহাটের প্রায় ১০ লাখ মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক একটি পরিবর্তন এলো। শিক্ষা, চিকিৎসা এবং যোগাযোগের উন্নয়নেও সেতুটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা স্থানীয়দের।

ধরলা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবি আজ পূরণ হলো। দিনে ২-৩শ টাকা আয় করে এই ঘাট পার হতেই ৫০-৭০ টাকা ব্যয় হতো। তার উপর ছিল নানান ভোগান্তি। এখন সবার উপকার হলো।

২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর উপর ৯৫০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার মধ্যবর্তী কুলাঘাট নামক স্থানে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে সেটি একনেকে অনুমোদিত হয়।

Kurigram-Setu-(1)

শেখ হাসিনা ধরলা সেতু নির্মাণে ২০১৪ সলে এলজিইডি সিমপ্লেক্স ও নাভানা কনস্ট্রাকশন গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে। এটি নির্মাণে এলজিইডি ১৩ একর জমি অধিগ্রহণ করে। নির্মাণে ব্যয় হয় ২০৬ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

৯৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ডাবল লেনের এ সেতুর প্রস্থ ৯ দশমিক ৮০ মিটার, ক্যারেজ ওয়ে ৭ দশমিক ৩০ মিটার ও সেতুর উভয় পাশে ১ মিটার চওড়া ফুটপাত রয়েছে। পিসি গার্ডার নির্মিত সেতুটিতে মোট স্প্যান রয়েছে ১৯টি। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার। ১৮টি পিয়ার ও ২৪০টি পাইল রয়েছে সেতুটিতে।

সেতু উদ্বোধনের সময় ভিডিও কনফারেন্সে ফুলবাড়িতে উপস্থিত ছিলেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত সচিব রইচ উদ্দিন ও অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল আলম, জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম, ডিডিএলজি রফিকুল ইসলাম সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী, লালমনিরহাট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড.মতিয়ার রহমান ও কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড.আহসান হাবীব নীলু।

কুড়িগ্রামবাসীর ঈদ উপহার হিসেবে ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ব্রিজটি উদ্বোধন করেন।

এ সেতুটির মাধ্যমে ভূরুঙ্গামারী স্থলবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকার সঙ্গে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পথ কমে গেল। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বড় ভূমিকা রাখবে ব্রিজটি। ব্রিজটি চালু হওয়ায় ফুলবাড়ি, নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী উপজেলাসহ লালমনিরহাটের প্রায় ১০ লাখ মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক একটি পরিবর্তন এলো। শিক্ষা, চিকিৎসা এবং যোগাযোগের উন্নয়নেও সেতুটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা স্থানীয়দের।

ধরলা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবি আজ পূরণ হলো। দিনে ২-৩শ টাকা আয় করে এই ঘাট পার হতেই ৫০-৭০ টাকা ব্যয় হতো। তার উপর ছিল নানান ভোগান্তি। এখন সবার উপকার হলো।

২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর উপর ৯৫০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার মধ্যবর্তী কুলাঘাট নামক স্থানে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে সেটি একনেকে অনুমোদিত হয়।

Kurigram-Setu-(1)

শেখ হাসিনা ধরলা সেতু নির্মাণে ২০১৪ সলে এলজিইডি সিমপ্লেক্স ও নাভানা কনস্ট্রাকশন গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে। এটি নির্মাণে এলজিইডি ১৩ একর জমি অধিগ্রহণ করে। নির্মাণে ব্যয় হয় ২০৬ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

৯৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ডাবল লেনের এ সেতুর প্রস্থ ৯ দশমিক ৮০ মিটার, ক্যারেজ ওয়ে ৭ দশমিক ৩০ মিটার ও সেতুর উভয় পাশে ১ মিটার চওড়া ফুটপাত রয়েছে। পিসি গার্ডার নির্মিত সেতুটিতে মোট স্প্যান রয়েছে ১৯টি। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার। ১৮টি পিয়ার ও ২৪০টি পাইল রয়েছে সেতুটিতে।

সেতু উদ্বোধনের সময় ভিডিও কনফারেন্সে ফুলবাড়িতে উপস্থিত ছিলেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত সচিব রইচ উদ্দিন ও অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল আলম, জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম, ডিডিএলজি রফিকুল ইসলাম সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী, লালমনিরহাট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড.মতিয়ার রহমান ও কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড.আহসান হাবীব নীলু।