ধামরাইয়ে মাদক বিক্রেতাকে ৩৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ

 ধামরাইয়ে শনিবার রাতে রোয়াইল ইউনিয়নের চরস্ঙ্গুর  গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেল সিকদারকে বাড়ী থেকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। তবে পুলিশ বলছে মোজাম্মেলকে বাড়ী থেকে নয় পৌরসভার ভিতরে হৈ হল্লোড় করার অপরাধে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে ৩৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করে রোববার।  সে আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পায়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটক মোজাম্মেল কুয়েত প্রবাসী গাজীউর রহমান ওরফে গাজী সিকদারের ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, মোজাম্মেল সিকদারকে শনিবার রাত ১০টার দিকে নিজ গ্রাম থেকে মাদকসহ আটক করে ধামরাই থানার এএসআই দীনেশ ঘোষসহ সঙ্গীয় ফোর্স। তবে দীনেশ ঘোষ বলেন, মোজাম্মেলকে পৌরসভার ভিতর থেকে আটক করা হয়েছে। আটকের স্থান (স্পট) নিয়ে লুকোচুরির ঘটনায় ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ রিজাউল হক বলেন, মোজাম্মেলকে চরসুঙ্গর থেকে আটক করা হয়েছে ঠিকই তবে পৌরসভার ভিতর থেকে আটক না দেখালে ৩৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা যায় না। তাই বিশেষ ব্যক্তির রিকোয়েস্টে তাকে ৩৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় মেম্বার গর্জন মিয়া জানান, এর আগেও ডিবির কাছে আটক হয়েছিল মোজাম্মেল সিকদার। মোজাম্মেল ইয়াবা বিক্রয় করে বলে এলাকায় প্রচার আছে। তার চলাফেরাও মাদকসেবীদের সাথেই। স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালাম সামসুদ্দিন বলেন, শুনেছি মোজাম্মেলকে বাড়ী থেকে আটক করেছে এবং সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, মোজাম্মেল ও কালাম এলাকায় মাদকের ডিলার। এরআগে তারা ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়ে দীর্ঘদিন হাজতবাস করেছে। এলাকার যুবকদের নেশায় আসক্ত করেছে মোজাম্মেল। দেশে মাদক নির্মূলে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয় হলেও মাদক বিক্রেতা মোজাম্মেলকে ৩৪ ধারায় চালান দেওয়ায় হতাশা হয়েছে এলাকাবাসী।

এদিকে মোজাম্মেলের চাচা আক্কাস আলী তার ভাতিজা নির্দোষ বলে দাবী করলেও ডিবি পুলিশের কাছে আটকের কথা স্বীকার বলেন, ‘মোজাম্মেল কোন মাদকের সাথে জড়িত না। তার কোন অভাব নেই। তার বাবা কুয়েতে প্রায় এক লাখ টাকা বেতন পায়’।