রাশিয়ার সাথে ইরানের দুরুত্ব বাড়ছে!

ফুলকি ডেস্ক: ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যেকার বহুদিনের সংঘাত মে মাসের শুরুর দিকে বেশ নাটকীয়ভাবেই তীব্রতা পেয়েছে। গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলী সেনা অবস্থানে ইরানের রকেট হামলাকেই অবস্থার পরিবর্তনের কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। অবশ্য এটি ছিল ইসরায়েলী বাহিনীর ইরানের অবস্থানে বিমান হামলার জবাব।

ধারণা করা হচ্ছে এই আক্রমণ পুরো অঞ্চলের হিসেব-নিকেশই পাল্টে দেবে এবং সেটি ভবিষ্যতের জন্যেও। এমনকি দক্ষিণ গোলান মালভূমি সংক্রান্ত অগ্রগতি হয়তো পাবে নতুন মাত্রা।

ইসরায়েল সীমান্তবর্তী সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমের এই অঞ্চল কুনেট্রা শাসনের অন্তর্ভূক্ত, যা কিনা নতুন করে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর হামলার সম্মুখীন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারন আসাদ সরকার সব সময়েই বিভিন্ন বাহিনীকে উৎখাত করতে প্রস্তুত থাকে। তাই এখানে সম্ভাব্য যুদ্ধ নতুন একটি পরীক্ষা হয়ে দাড়াতে পারে সিরিয়ার বাইরের সেই তিন শক্তি ইরান, ইসরায়েল ও রাশিয়ার জন্য।

ইরান আর ইসরায়েল দৃশ্যতই পারষ্পারিক শত্রু। সিরিয়ার ঘটনা এই শত্রুতাকে উষ্কে দিয়েছে।

অন্যদিকে রাশিয়া আর ইরান হলো আসাদ সরকারের সামরিক শক্তির প্রধান উৎস্য। এদের সমর্থন ছাড়া আসাদ সরকারের পতন অনিবার্য বলেই ধরে নেয় হয়।

এদিকে মস্কোর আবার ইসরায়েলের সাথেও ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। সম্প্রতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয় স্মরণে মস্কোতে এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেইসাথে রাশিয়া পরোক্ষভাবে সিরিয়ায় ইসরায়েলকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং রাশিয়ার সাথে ইরান ও ইসরায়েলের সম্পর্কের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে ধুম্রজাল সৃষ্টি করেছে। যেটিকে রাশিয়ার সাথে ইরানের সম্পর্ক সৃষ্টির ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন অনেকেই।