গণপূর্তে নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০: নির্বাচন স্থগিত

বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারামারির জেরে কেন্দ্রীয় পরিষদ ও ঢাকা জেলার কাউন্সিলর নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। পূর্ব নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী ঢাকার সেগুনবাগিচায় পূর্ত ভবনে নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে একটি অংশ বিপুল পরিমাণ বহিরাগত লোক সমাগম করে এবং সকাল আটটার মধ্যেই ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে তাদের হামলায় নজরুল-আকবর-আমিনুল পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলামসহ ৮/১০জন গুরুতর আহত হয়। আহতদের মধ্যে উপ-সহকারী প্রকৌশল আলী আকবর মিয়া, মহিউদ্দিন মোল্লা, মনোজ কুমার দে, আলী রাজ হোসেন ও সাইফুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে নজরুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শাহবাগ থানায় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আলী আকবর সরকার সাংবাদিকদের বলেন, নবীব-রায়হান-ইউনূস, মনিরুজ্জামান ও মান্নানের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত হামলা ও ভাংচুর করে নির্বাচনে দায়িত্বরত পোলিং অফিসারদের বের করে দেয়। প্রিজাইডিং অফিসার শাহজাহান মিয়া ও আমাকে জিম্মি করে রাখে। পরে খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ প্রিজাইডিং অফিসার ও আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আমরা এ ঘটনায় মামলা দায়ের করবো। মারামারির ঘটনায় প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহ আলম ভুঞা নির্বাচনে স্থগিত ঘোষণা করেন। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভোট কেন্দ্র থেকে উদ্ধার করা প্রিজাইডিং অফিসার শাহজাহান মিয়াকে নূরুল আমিন মোল্লা নামের এক ব্যক্তির জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।