স্থগিতাদেশ তুলে নিলেও ১৫ মে গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্ভব না: সিইসি

 ‘আদালত স্থগিতাদেশ তুলে নিলেও ১৫ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্ভব না। তবে আদালত নির্দেশ দিলে তা মানতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।  বুধবার (৯ মে) দুপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।  এর আগে বুধবার (৯ মে) সকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি আগামীকাল হবে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।   তারও আগে মঙ্গলবার (৮ মে) গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।  মঙ্গলবার গণমাধ্যমে নির্বাচনী সংবাদ ও ফল সংগ্রহ এবং প্রচারবিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ে এ মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।  হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত আদালতের লিখিত কপি পাইনি। আইনজীবীর সার্টিফায়েড কপি পেয়েছি। সেই কপির আলোকে আমরা এরই মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করার নির্দেশনা দিয়েছি। আপিল করার জন্য দুজন আইনজীবীও ঠিক করা হয়েছে।  সচিব আরো বলেন, আমরা যুক্তিসংগত কোনো নোটিশ পাইনি কিংবা পর্যাপ্ত সময়ও আমাদের দেওয়া হয়নি।  যে ছয়টি মৌজা-সংক্রান্ত ঝামেলা নিয়ে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে, সেই মৌজাগুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছে বলে জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, এখানে কোনো আইনি জটিলতা আছে কি না, তা আমরা নিশ্চিত হয়েছি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তার পরে আমরা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছি।  হাইকোর্টের আদেশের প্রতি সম্মান রেখে নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে সকল নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জানিয়ে সচিব বলেন, এখন আমরা আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।  এর আগে মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সংবাদকর্মী বক্তব্য দেন