তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ

 : বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনপির নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল পৌনে ১০টায় হাজির হওয়ার কিছু সময় পরে তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। দুদক উপপরিচালক এস এম আকতার হামিদ ভূঁইয়া তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে সংস্থাটি জনসংযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়।  বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়ারের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ২৪ এপ্রিল তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক।  তাবিথের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন তিনি। আর ১৮ ফেব্রুয়ারি তাবিথ আউয়ালের ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা এই টাকার মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লাখ উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে।  এতো টাকা কেন উত্তোলন করেছেন, ওই অর্থের উৎস কী এবং কোথায় আছে ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তরের খোঁজেই মূলত তাকে তলব করা হয়েছে।  গত ২ এপ্রিল বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ১০ জনের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ১২৫ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ওই ১০ জন হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, সহ সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু, এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খানের ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।  দুদকের উপপরিচালক ঋত্বিক সাহার সই করা চিঠিতে আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ আটজনের বিরুদ্ধে ৩০ দিনে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে মানিলন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ১২৫ কোটি টাকা লেনদেনসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে কমিশন থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছিল।