কোটা সংস্কার: ১১টায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার (১১ এপ্রিল) পরও সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন এখন পর্যন্ত জারি না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা।  প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে তাদের দেয়া দ্বিতীয় দফার আল্টিমেটাম সোমবার (৭ মে) শেষ হয়েছে।  মঙ্গলবার (৮ মে) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী করণীয় জানিয়ে দেয়া হবে বলে আন্দোলনকারীদের সূত্রে জানা যায়।   কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন সূত্রে বিষয়টি জানা যায়।  কর্মসূচির বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, আমরা মঙ্গলবার (৮ মে) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করব।  গেজেট প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে আন্দোলনকারীদের সরকারের বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।  মামুন বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা আন্দোলনকারীদের নামে করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের আশ্বাস দিলেও, তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। যা খুবই দুঃখজনক।  এর আগে কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘোষণা পরবর্তী আওয়ামী লীগের মনোভাব জানতে গত ২৭ এপ্রিল দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের বাসায় বৈঠকে বসেন শাহবাগের কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নেতারা।  ঐদিন রাত ৯টার দিকে আন্দোলনকারীদের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধ দল রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ–সংলগ্ন ন্যাম ভবনে প্রবেশ করে। সেখানে ছিলেন আওয়ামী লীগের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হক শামীম।  সেদিন রাতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন এই বলে যে, প্রধানমন্ত্রী (প্রধানমন্ত্রী তখন বিদেশে সফররত ছিলেন) দেশে ফিরলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।  আন্দোলনকারীরা আগেই বলেছিলেন, যদি চলতি (এপ্রিল, ২০১৮) মাসের মধ্যে প্রজ্ঞাপন না হলে তারা মে মাস থেকে আবারও আন্দোলনে নামবেন।