সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি পাচ্ছেন শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিধন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল শহরে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১১ জ্যৈষ্ঠ কবি নজরুলের জন্মদিনে যাবেন তিনি। ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিশেষ সমাবর্তন উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেয়া হবে ‘ডি-লিট’। শেখ হাসিনা ছাড়াও বলিউড তারকা শর্মিলা ঠাকুর ও ভারতের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এস এম ইউসুফকে এ সম্মাননা দেয়া হবে। গত বছর বাংলা একাডেমির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এই উপাধি দেয়।

আসানসোলের অদূরেই চুরুলিয়া গ্রামে নজরুল ইসলামের জন্মভিটে। ১৯ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির আমলে নজরুল জন্মশতবর্ষ উৎসবে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ২৫ মে শেখ হাসিনা বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে যাবেন। সেখানে তিনি বিশ্বভারতী চত্বরে নির্মিত বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন। ২৫ কোটি রুপি ব্যয়ে এই ভবন নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাধন চক্রবর্তী শনিবার জানান, ২৬ মে বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হবে এই সমাবর্তন উৎসব। প্রথম পর্বে থাকবে বিশেষ সমাবর্তন। এই অনুষ্ঠানেই শেখ হাসিনাসহ তিন গুণীর হাতে তুলে দেওয়া হবে ডি-লিট। এরপর মূল সমাবর্তন উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ জন স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃতী ছাত্রছাত্রীকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এরপর ৪৫০ জন ছাত্রছাত্রীর হাতেও তুলে দেওয়া হবে ডিগ্রি সনদ।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের প্রস্তাব গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ভবনে থাকছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত নানা ঐতিহাসিক তথ্য, গ্রন্থাগার, মিলনায়তন, বাংলাদেশ সম্পর্কে গবেষণার নানা তথ্য, চিত্রশালাসহ বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নানা স্মারক। থাকবে রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ অবস্থানের নানা তথ্য, ইতিহাস, স্মারক ও চিত্রাবলি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণাবলী এবং দেশ পরিচালনার দক্ষতা এখন বিশ্বজোড়া স্বীকৃত। আর তারই প্রমাণ এত শত উপাধি আর সম্মাননা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্জন করব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা- এমনটাই ভাবনা দেশবাসীর।

আজিজ পাশা লেখক, সাংবাদিক।