প্রভাবশালী দুই মার্কিন মানবাধিকার কর্মীকে ইসরাইলে প্রবেশে বাধা

 দুইজন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন মানবাধিকার আইনজীবীকে ইসরাইলের বেন-গুরিন বিমানবন্দরে ১৪ ঘণ্টা আটক রাখার পর নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।  তারা শান্তি প্রত্যাশি ইহুদিদের ‘বয়কট, বিভাজন, নিষেধাজ্ঞা’ বা বিডিএস আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বলে ইসরাইলের অভিযোগ।  এই দুই আইনজীবী হচ্ছেন- ক্যাথেরিন ফ্রাঙ্ক ও ভিনসেন্ট ওয়ারেন। তাদের মধ্যে ফ্রাঙ্ক কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির আইন প্রফেসর।   ইসরাইলি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি, ফ্রাঙ্কের বিরুদ্ধে ইহুদি একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।  ইহুদি ওই গ্রুপটি ইসরাইলের বিরুদ্ধে বয়কট, বিভাজন ও নিষেধাজ্ঞা জারি করার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভিনসেন্ট ওয়ারেনকেও দেশটিতে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়।  তবে, ফ্রাঙ্ক ও ভিনসেন্ট তাদের বিরুদ্ধে ওঠো সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।  জানা গেছে, তারা দুইজন ইসরাইল ও পশ্চিম তীর সফরকারী ১৫ জন মানবাধিকার কর্মীদের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে দেশটিতে এসেছিলেন। গ্রুপটিতে আরো ছিলেন ‘ওইমেন মার্চ’ এর কো-চেয়ারম্যান মার্কিন নাগরিক তামিল ম্যালরি।  দলটির বেশিরভাগ সদস্যই কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদামি বর্ণের নাগরিক। তারা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিচারের ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করে থাকেন। যে কারণে তাদের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল সফর করার সুযোগ দেয়নি ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।  নাম না প্রকাশের শর্তে ইসরাইলের ‘কৌশলগত ইস্যু’ সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘জিউস ভয়েস ফর পিস’-এ ভূমিকার কারণে ফ্রাঙ্ককে ইসরাইলে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।  ওই মুখপাত্র বিডিএস আন্দোলনের বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে থাকেন।