ধামরাইয়ে ৮ বছর পর শিক্ষক সমিতির নির্বাচন জমে উঠেছে

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে ৮ বছর পর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন জমে উঠেছে। প্রার্থীরা প্রতিদিন ঝড় বৃষ্টির মধ্যে মোটরসাইকেল দাবড়িয়ে ফোর্ডনগর থেকে মকিমপুর পর্যন্ত ১৭১টি বিদ্যালয়ের প্রায় ১ হাজার দু’শত ভোটারের সাথে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা। যাকে দিয়ে যে ভোটারকে ম্যানেজ করা যায় তাকেই ব্যবহার করছেন প্রার্থীরা। কোন সময় রাজনৈতিক নেতাকে ব্যবহার আবার কোন সময় পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে দিয়ে ভোটারকে পক্ষে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। এ নির্বাচনে ৪০টি পদের মধ্যে ৩৪টি পদে বিভিন্ন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ১১ মে বাকী ৬টি পদের বিপরীতে ৮জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। এরমধ্যে সভাপতি পদে রবিউল ইসলাম ও আসলাম হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ইন্তাজ উদ্দিন, জাহ্ঙ্গাীর আলম ও আবদুল মোমেন, সহ-সভাপতি পদে অরবিন্দু সরকার, দেলোয়ার হোসেন ও আবদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পদে ওসমান গণি, গোলাম কিবরিয়া ও বেনজীর আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক পদে জুয়েল হোসেন, আবু শামীম কবির, শাহিনুর ইসলাম সুজন, মীর শফিকুল ইসলাম শিহাব ও হুমায়ূন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আক্তার হোসেন ও জব্বার আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে সহসভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক পদে দু’জন করে নির্বাচিত হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের কাছ থেকে জানা গেছে, ‘যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের আচার-আচরণ, নমনীয়তা, নৈতিকতা, গাম্ভীর্যতা, শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিকতা, শিক্ষকদের নায্য অধিকার আদায়ে দর কষাকষিতে পারদর্শিতা এবং বিগত কমিটিতে কে কি ভূমিকা রেখেছেন সবই স্মৃতির পাতা থেকে তুলে এনে বিভিন্ন ধরণের সূচক বিশ্লেষণপূর্বক সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হবে। এছাড়া চাটুকারিতা, দালালি, কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজসে শিক্ষকদের বদলী বাণিজ্য করার মানসিকতাসম্পন্ন প্রার্থীকে বয়কট করার চিন্তা রয়েছে সাধারণ ভোটারদের’। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক সভাপতি চান মিয়া।