চার জেলায় বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু

সিরাজগঞ্জ-মাগুরা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নওগাঁয় বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও আটজন। রোববার সকাল ও দুপুরে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

সিরাজগঞ্জ : শাহজাদপুর, কাজিপুর ও কামারখন্দ উপজেলায় রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন- শাহজাদপুর পৌর এলাকার ছয়আনিপাড়া মহল্লার ফারুক হাসানের ছেলে নাবিল হোসেন (১৭), রাশেদুল হাসানের ছেলে পলিং হোসেন (১৬), কাজীপুর উপজেলার ডিগ্রি তেকানী গ্রামের মৃত পারেশ মণ্ডলের ছেলে শামছুল মণ্ডল (৫৫) ও শামছুল মণ্ডলের ছেলে আরমান (১৪) এবং কামারখন্দের পেস্তক কুড়াগ্রামের মৃত আহের মণ্ডলের ছেলে কাদের হোসেন (৩৭)।

মাগুরা : মাগুরা সদর অক্কুর পাড়া ও রায়গ্রাম এবং শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন- অক্কুর পাড়ার ভ্যানচালক শামীম, ব্লুগ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আলম ও জয়পুরহাটের মনপুরা এলাকার আলম মিয়ার ছেলে মেহেদী। মাগুরা সদর থানা পুলিশের এসআই আশ্রাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বজ্রপাতে আব্দুর রহিম (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত রহিমের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায় বলে নিশ্চিত করেছেন আখাউড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন তরফদার।

নওগাঁ : নওগাঁর সাপাহারে বজ্রপাতে গৃহবধূ সোনাভান (২৪) মারা গেছেন। এ ঘটনার তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা শিরন্টি ইউনিয়নের শিমলডাঙ্গা রামাশ্রম গ্রামে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- নিহতের স্বামী রুবেল হোসেন (২৮), সালেহা বিবি (৪২) ও শিশু রাজু (১২)।

সাপহার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বজ্রপাতে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহতদের উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।