ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নতুন ১০ অঞ্চল

দুই সিটি করপোরেশনে পাঁচটি করে নতুন অঞ্চল গঠন করে সম্প্রতি দুটি আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা।  আদেশে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ক্ষমতাবলে সরকার ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের দৈনন্দিন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এর আওতাধীন সম্প্রসারিত অংশে নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডকে পাঁচটি করে অঞ্চলে ভাগ করা হল। দুই সিটি করপোরেশনের অঞ্চলগুলো সাধারণ প্রশাসনিক কাজ, হিসাবরক্ষণ (কর্মচারীদের বেতন, অফিস পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচ), জোনের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সমাজকল্যাণের (কমিউনিটি সেন্টার, পার্ক, পাঠাগার, জিমনেশিয়াম, পাবলিক টয়লেট, শিশুকেন্দ্র, কবরস্থান, শ্মশানঘাট) বিষয়গুলো দেখভাল করবে।  পূর্তকাজ ও রক্ষণাবেক্ষণ, বৈদ্যুতিক কাজ ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, দাতব্য চিকিৎসালয়, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, স্যানিটেশন, ভেটেরিনারি কার্যক্রম, জবাইখানা ব্যবস্থাপনা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, মশক নিয়ন্ত্রণ, আবর্জনা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, স্যানিটারি ল্যান্ড ফিলিং, ডাম্পিং গ্রাউন্ড রক্ষণাবেক্ষণ, পৌরকর নির্ধারণ ও আদায়, লাইসেন্স প্রদান ও ফিস আদায় এবং বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কাজও নতুন অঞ্চলগুলোর উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।  এছাড়া বস্তি উন্নয়নের অংশ হিসেবে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, পানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা আত্ম-কর্মসংস্থানে সহায়তা, উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করবে এসব অঞ্চল।  ২০১৬ সালের ৯ মে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে নতুন করে ১৬টি ইউনিয়ন যুক্তের প্রস্তাব অনুমোদন করে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।  নিকারে অনুমোদনের পর ২০১৬ সালের ২৮ জুন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে নতুন ১৬টি ইউনিয়ন যুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।  ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন করে যুক্ত হওয়া ১৬টি ইউনিয়নে ৩৬টি ওয়ার্ড গঠন করা হয়।