আশুলিয়ায় ইটিপি সম্পর্কে কেজিএসের ওয়ার্কশপ

আশুলিয়া ব্যুরো : আশুলিয়ায় শিল্প কারখানায় ইটিপি সম্পর্কে কেজিএস সার্টিফিকেশন লিমিটেড এর উদ্যোগে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় আশুলিয়ার ডিইপিজেড সংলগ্ন ইনভেষ্টর ক্লাবে বিভিন্ন কারখানার জিএম পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত ৭০ জন প্রতিনিধিদের নিয়ে এ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

কেজিএস সার্টিফিকেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে ওয়ার্কশপ অন ইনভয়রনমেন্ট ওয়াটার এন্ড এনার্জি ম্যানেজমেন্ট(ইটিপি) এর ওপর সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন অ্যামেরিকান জিএম সিলভার ম্যান-ইটিপি ইঞ্জিনিয়ার এক্সপার্ট। সেমিনারে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এনার্জি অডিটর মিঃ সাকিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন এএনএম ইকবাল খালেদ ও ম্যানেজার অপারেশন মিঃ মুরাদ হোসেন।

সেমিনারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- ইটিপি এনার্জি অডিট, এনভরমেন্টাল এবং ইটিপি জিরো ডিসচার্জড নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় ও আলোচনা হয়। সেমিনারে সাভার ও আশুলিয়া জোনের বিভিন্ন এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড কোম্পানীর ও ইটিপি প্লান্ট স্থাপনের বিভিন্ন কোম্পানীর জিএম পদমর্যাদার ৭০জন উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে আলোচকরা বলেন, ডাইং এবং ওয়াশিং কারখানাগুলোতে কাপড় তৈরিতে রং মেশাতে হয়। এ সকল রংয়ে পানি দূষণ ঘটে। যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং হুমকি স্বরূপ। এতে পানিতে থাকা মৎস্যজীবি প্রাণিদের, ফসলের ক্ষতি সাধন করে। এমনকি বায়ূ দূষণের ফলে জীবণ বিপন্নের আশঙ্কা দেখা দেয়। যা মহামারি আকারে ধারণ করে। এ সকল দূষিত পানি ৩ ধরণের প্রযুক্তিতে শোধন করা যায়। এগুলো হলো- বায়োলজিক্যাল, কেমিক্যাল ও ইলেক্ট্রিক্যাল প্রযুক্তি। এদের মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল প্রযুক্তি হলো নতুন প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে ৫০% খরচ কম। সরকারি নির্দেশনা হলো- ইটিপি ছাড়া শিল্প কারখানার উৎপাদন আইনত দোষনীয়। এজন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের যেমন সচেতন হওয়া দরকার, তেমনি সরকারিভাবেও নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ প্রয়োজন বলে মনে করেন সেমিনারে আলোচকরা।