দমনপীড়ন চালিয়েও বিএনপি’র কিছু করতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী: রিজভী

 ‘বিএনপি চেয়ারপারসন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও নেতাকর্মীদের চরম দমনপীড়ন চালিয়েও দলের কিছু করতে না পেরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।  বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফিউচার অফ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘গণতন্ত্রহীনতা বনাম জবাবদিহিতা’ শীর্ষক তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় তিনি একথা বলেন।  রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভাবছেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে এতো দমনপীড়ন করছি, নেতাকর্মীদের এতো নির্যাতন করছি, তারপরও বিএনপি এতো ঐক্যবদ্ধ। লন্ডন থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এগুলো শেখ হাসিনা আর সহ্য করতে পারছেন না। ক্ষত-বিক্ষত হয়ে এখন আর্তনাদ করছেন।   দেশে এখন গণতন্ত্র নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে যেকোনো যুবক অদৃশ্য হয়ে যায়। গুম করা হয়। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ৩ জনকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে লন্ডনে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে এড়িয়ে গিয়েছেন। উত্তর দেননি। বলেছেন তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনা হবে। এখানেই তো তার জালা, এখানেই তো তার ভয় ও বিদ্বেষ।  তিনি বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্ট গঠন করেছেন। সেই পার্লামেন্টের প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি এতো অহঙ্কার করেন। একে ধমকান, তাকে ধমকান। বিরোধী পক্ষকে দেখে নেবেন বলেন। কীভাবে তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে আনবেন এসব বলে বেড়ান।  রিজভী বলেন, লন্ডনকে বলা হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও যাকে বলা হয় গণতন্ত্রের আতুড়ঘর, সেখান থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আপনার দেশে যে মানবাধিকার নেই, নাগরিক অধিকার নেই ও গণতন্ত্র নেই সে কথা তো বলছেন না।  মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন ফিউচার অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক মো. উজ্জল, সদস্য সচিব সাজ্জাতুল হানিফ, শাহাদাত হোসেন মিশু, মো. রুবেল মিয়া, মেহেদী কাওসার শাহিন, মো. সোহাগ, মো. মাহাদী হাসান সাদবিনসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও থানার ছাত্রনেতারা।