অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এমপি মিজানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

: অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খুলনা-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি মিজানুর রহমান মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ।  এর আগে গত ৪ এপ্রিল মো. মঞ্জুর মোর্শেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে এমপি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। তলবে সাড়া দিয়ে সকাল ১০টার দিকে তিনি দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আসেন।   দুদকের অভিযোগে বলা হয়, মিজানুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি অফিসের ঠিকাদারী, নিজ পরিবারের সদস্যদের নামে নামমাত্র কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ এবং মাদকের ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।  এরপর গত ৭ মার্চ থেকে দুদক খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে।  খুলনা-২ আসনের সংসদ মিজানুর রহমান, লালমনিরহাটের সাবেক সাংসদ বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলু এবং নাটোরের সাবেক সাংসদ রুহুল কুদ্দুস দুলুর বিরুদ্ধে পাওয়া দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে গত ৪ মার্চ অনুসন্ধানে করে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।  বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০০১-২০০৬ জোট সরকারের সময়ে লালমনিরহাট ও রংপুর অঞ্চলের টেন্ডারবাজি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি।  আর নাটোরের সাবেক সাংসদ রুহুল কুদ্দুস দুলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপি সরকারের আমলে তিনি নাটোরের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে টেন্ডারবাজি, ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায় এবং মাদকের কারবার থেকে ৫০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে।  এছাড়া স্বতন্ত্র সাংসদ কামরুল আশরাফ খানের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার একটি অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক।