আরও কাছাকাছি ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইটের স্বপ্ন

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচক পাচ্ছে ‘আইকাও কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট’ নামের বহুল প্রতিক্ষীত অ্যাওয়ার্ড। বেবিচক -এর কাছে অ্যাওয়ার্ডটি হস্তান্তর করা হবে আগামী মাসেই। সেফটি ওভারসাইড প্রগ্রেসের ভিত্তিতে প্রতি বছর সদস্য দেশগুলোকে সার্টিফিকেট ও অ্যাওয়ার্ড দিয়ে থাকে আইকাও। এভিয়েশন খাতের নিরাপত্তায় দ্রুত উন্নতির বিবেচনায় এই বছর সিভিল এভিয়েশন-আইকাও কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট ও অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে বেবিচক।

সিভিল এভিয়েশনের বর্তমান স্ট্যাটাস থেকে ক্যাটাগরি-১ করতে হলে আরও দুটো অডিটের মুখোমুখি হতে হবে। এ অ্যাওয়ার্ডের পর আইকাও থেকে আরও একটি টিম ঢাকায় আসবে আগামী মাসে। সেফটি ইস্যুতে সার্বিক অডিট করে ইতিবাচক প্রতিবেদন দেয়ার পর আগামী ডিসেম্বরের আগেই চূড়ান্ত অডিটের আবেদন জানাবে সিভিল এভিয়েশন।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, আইকাও থেকে ৬ এপ্রিল এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছে সিভিল এভিয়েশন। এর আগে গত ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সিভিল এভিয়েশনের সেফটি ওভারসাই কার্যক্রম নিরীক্ষাকল্পে আন্তজার্তিক এভিয়েশন সেফটি প্রোগ্রাম (আইএএসএ) অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ফেডারেশন এভিয়েশন এডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্রতিনিধি ঢাকায় আসেন। সিভিল এভিয়েশনের সার্বিক কারিগরি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গিয়ে গত ২ এপ্রিল তাদের প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তারা বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের ভূয়সী প্রসংসা করেন। নেপাল দুর্ঘটনায় পরপর এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন দেশের এভিয়েশন সেক্টরকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন সিভিল এভিয়েশন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে বেবিচক এর ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন পরিচালক উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির জাগো নিউজকে বলেন, ২০১৭ সালের সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স এর দিক থেকে শতকরা ৭৫ দশমিক ৩৪ স্কোর অর্জন করেছি আমরা। আইকাও এর নির্ধারিত মানদণ্ড অতিক্রম করেছি। আমরা প্রতি বছরই সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছি। আগের বছরের তুলনায় সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স ৫০ শতাংশের বেশি উন্নয়ন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। এটি আমাদের আরও বেশি আশাবাদী করে তুলেছে।

জিয়াউল কবির বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের অবস্থান আরও সুসংহত ও ভাবমূূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। সম্প্রতি এই স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে আইকাও। এই অর্জনকে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনার ফল হিসেবে দেখছেন তিনি।