নিবন্ধন বাতিলের তালিকায় ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, ঝুঁকিতে গণফোরাম

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা না দেয়ায় বাতিল হতে পারে রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন। এছাড়া একই কারণে বাতিলের ঝুঁকিতে থাকা বিখ্যাত আইনজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের ‘গণফোরাম’ সময় চেয়ে আবেদন করেছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।  সূত্র জানায়, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করার উদ্যোগ নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সে ক্ষেত্রে দলগুলো বিধি-বিধানের আলোকে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হয়েছে। কিন্তু ৩৮টি দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা দিলেও দুটি দল তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ইসি।   ইসির সচিব মো. হেলালউদ্দীন আহমদ  বলেন, গণফোরাম ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন তাদের কাগজপত্র জমা দেয়নি। গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য ৬ মাস সময় চেয়েছেন। তাকে ৩ মাস সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা দিতে হবে।  তিনি আরও বলেন, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন থেকে কোনো সময় চাওয়া হয়নি। ফলে তারা কেন কাগজপত্র জমা দেবে না তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তারা নোটিশের জবাব না দিলে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হবে।  ইসি সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ৪০টি দলকে নিবন্ধন দেয় ইসি। সেই সময় অন্যান্য দলের সঙ্গে এই দল দুটিও নিবন্ধন নেয়। কিন্তু নিবন্ধন নিলেও শর্ত মানছে না তারা। এছাড়া এসব দলের কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে কোনো অফিস বা কমিটিও নেই।  ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহানারা বেগম আলো দেশের বাইরে রয়েছেন। দলটির সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ  বলেন, ইসি এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।  গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু জানান, আমরা সময় পেয়েছি। আশা করি, এ সময়ের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে যাবে।