সাভারে নিখোঁজের ১৪ দিন পর কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ২

স্টাফ রিপোর্টার : সাভারে নিখোঁজের ১৪ দিন পর বালু চাপা অবস্থায় এক কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জের ধরে কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপন না পেয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে আটক করার কথা জানাগেলেও দুই জনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে সাভারের তেুঁতলঝোড়া ইউনিয়নের জয়ানাবাড়ী এলাকার বৈদ্যনাথের ইটভাটার পাশে হোসেন আলীর বালুরটেক থেকে বালু চাপা অবস্থায় কলেজ ছাত্র ফয়সালের অর্ধগলিত মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মোঃ ফয়সাল (২০) হেমায়েতপুর জয়নাবাড়ি এলাকার মাসুদ রানা ওরফে ফকির চাঁনের ছেলে। ব্যাংক কলোনী মহল্লার কলেজেক্স কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার মটর পার্টস এর দোকানে বসতো।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জের ধরে গত ৬ মার্চ ফয়সালকে কৌশলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী আকাশ ও রাজু। পরে তাকে আটকে রেখে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় ফয়সালের বাবা ফকির চাঁনের কাছে। তখন ফকির চাঁন বিষয়টি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং-৩০৮) করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর হোসেন জানান, ফয়সাল নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া শুরু করি। পরে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে অভিযুক্ত রাজু ও আকাশের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হই। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিনাজপুরের বিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আকাশ ও রাজুকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্য মতে সাভারের জোরপুল এলাকার বৈদ্যনাথের ইটভাটার পাশে হোসেন আলীর বালুরটেক থেকে বালু চাপা অবস্থায় নিহত ফয়সালের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।