জোটের নেতৃত্বে এখনও খালেদা জিয়া, নিদের্শনায় তারেক

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনও ২০ দলীয় জোটের নেতা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিদের্শনায় চলছে জোটের কর্মকান্ড, সমন্বয়হীনতা নেই জোটের মধ্যে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির কর্মসূচিতে যাচ্ছেন জোট নেতারা, জোটনেতার মুক্তির আন্দোলনে আলাদা কর্মসূচি দিতে না পারায় জোটের দুএকটি দলের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও খালেদা জিয়া মুক্তি আন্দোলনে সবাই এক এবং ঐক্যবদ্ধ। ২০ দলীয় জোটের শরিকদলের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান তারা। জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, এটাতো পূর্বেই নির্ধারিত ২০ দলীয় জোটের প্রধান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি কারাগারে রয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিনি এখন নিদের্শনা দিচ্ছেন। বিএনপির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। কর্মসূচি প্রনয়নে আমাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। তাই খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেও জোটের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই। লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, জোট নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশে। এই অবস্থায় ২০ দলীয় জোটের সমন্বয় করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আমাদের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই। জোটের মধ্যে কোনো বিরোধও নেই।

কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ, ২০ দলীয় জোটের পক্ষে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। আপনারা দেখছেন বিএনপির মত একটি বড় রাজনৈতিক দলকে কর্মসূচি পালনে কিভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা মনে করি, আন্দোলন তো হচ্ছে। সেখানে আমরা জোটের শরীকদলগুলো অংশ নিচ্ছে। তাই ্এসব নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা নেই। আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভ’ইয়া ও প্রায় একই মত পোষন করে বলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০ দলীয় জোটের নেতা। এটা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। জোট তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তবে আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে কিছুটা সমন্বহীনতা রয়েছে। জোটের শরিকদলগুলো যে যেভাবে পারছে তারা জোট নেতার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দিচ্ছে। কারাগারে যাওয়ার আগে গত ২৮ জানুয়ারি ২০ দলীয় জোটের শরিকদলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি তার অনুপস্থিতিতে জোটের করণীয় নির্ধারণ করে দেন। ওই বৈঠকে খালেদা জিয়া জোটসঙ্গীদেরকে কোনো বিষয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে বরং বিগত সময়ের মত জোটের ঐক্য যেকোনো মূল্যে ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই আমাদেরকে নিরপেক্ষ সরকারের দাবি থেকে একচুলও সরাতে পারবে না। এবং এই দাবিতে আমাদের তথা জনগণের বিজয় হবে। তিনি কারান্তরিন হওয়ার পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি জোটের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। এরপর আর কোনো বৈঠক হয়নি।