ঢাকা বারে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল আ’লীগ

 এশিয়ার বৃহত্তম বার খ্যাত ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৮-১৯ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সাদা প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। ২৭ পদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক ও অপর ৭টি সম্পাদকীয় পদসহ ১৪টি পদে বিজয়ী হয়েছে দলটি। অপরদিকে, বিএনপি জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) সভাপতি ও অপর ৩টি সম্পাদকীয় ১৩টি পদে জয়লাভ করেছে। ভোট গণনা শেষে শনিবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। সভাপতি পদে নীল প্যানেলের গোলাম মোস্তফা খান ৪ হাজার ৮১০ ভোট পেয়ে সাদা প্যানেলের প্রার্থী আব্দুর রহমান হাওলাদারকে পরাজিত করেন। হাওলাদার পান ৪ হাজার ৪৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে সাদা প্যানেলের মো. মিজানুর রহমান মামুন ৪ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে নীল প্যানেলের প্রার্থী হোসেন আলী খান হাসানকে পরাজিত করেন। হাসান পান ৪ হাজার ৪৯ ভোট। সাদা প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শাহানারা ইয়াছমিন, সহ-সভাপতি পদে মো. রুহুল আমিন, ট্রেজারার পদে আরিফুর রহমান চৌধুরী সুমন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার দিপু, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. কামাল হোসেন পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক পদে আব্দুর রশিদ ও লাইব্রেরী পদে এম মনিরুজ্জামান মনির এবং সদস্য পদে আব্দুর রব খান পল্লব, আসাদুজ্জামান বাবু, মো. সাইফুজ্জামান টিপু, সুমন মিয়া, মির্জা মো. জামাল হোসেন ও সিফাত নাহার সুমি। নীল প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শাহনাজ বেগম শিরীন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে এমএবিএম খায়রুল ইসলাম লিটন, খেলাধুলা সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ খলিলুর রহমান এবং সদস্য পদে একতানদার হোসেন হাওলাদার বাপ্পি, হান্নান ভূঁইয়া, জাকিয়া সুলতানা মিষ্টি, মো. মুকতাদির আহমেদ কাজল, মো. জাহেদ উল আলম জ্যোতি, মেহেদী হাসান বাদল, জেবুন্নেছা খানম জীবন, শারমিন জাহান শিমু ও জহুরা খাতুন জুঁই।  ২৭টি পদের বিপরীতে মোট ৫৫ জন প্রার্থী লড়েছেন এবারের নির্বাচনে। বড় দুই প্যানেলের বাইরে সদস্য পদে একজন স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিবন্ধিত আইনজীবীর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার ২৪ জন হলেও বৈধ ভোটারের সংখ্যা ১৬ হাজার ১২৯ জন। নির্বাচনে ৯ হাজার ১১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।  গতবার ২০১৭-১৮ মেয়াদের নির্বাচনে ২৭টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেল জায়লাভ করে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ট্রেজারারসহ মাত্র ৬টি পদে জয়লাভ করেছিল।