শীতের বিদায়ে প্রভাব পড়ছে কাঁচাবাজারে

স্টাফ রিপোর্টার : শীত শেষ হতে না হতেই রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বাজারে শুধুমাত্র টমেটোর দাম কমলেও অধিকাংশ সবজির দাম তুলনামূলক চড়া। বিক্রেতারা বলছেন, শীত চলে গেছে, এখন আবারও দাম একটু বাড়বেই। শুক্রবার (২ মার্চ) সকালে রাজধানীর কাঁচাবাজার ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে। রামপুরা-বনশ্রী এলাকার মেরাদিয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি পিস লাউ ৫০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ৬০ পিস, করলা ১০০, আলু ২৫ কেজি, টমেটো ১০ থেকে ১৫ টাকা, ফুলকপি ৩০, পাতাকপি ২৫, খিরা ৪০, পেপে ৩০, বেগুন ৬০, গোল বেগুন ২৫, কাঁচাকলা ৩০ হালি, ঝিঙ্গা ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবুতে ক্রেতারা টের পাচ্ছেন এসিডের ঝাঁজ। বড় লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা হালিতে, আর দেশি ছোট ৪০/৫০ টাকা হালি। শিম ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০, গাজর ৩০, বরবটি ১০০, মটরশুটি ৫০, মরিচ ৮০, পেয়াজ ৫৫/৫০, ইন্ডিয়ান রসুন ১২০, দেশি রসুন ৮০ টাকা, আদা ১২০/৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ভোজ্য তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে মাছের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। রুই ২৪০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ১৩০, কাতলা ২৬০, ইলিশ জোড়া (ছোট) ১০০০, বড় ২ হাজার টাকা, টেংরা কেজি ৪০০ থেকে ৬০০, চিতল ৫৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের মতোই রয়েছে, ডজন ৭৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০, দেশি (বড়) মুরগি পিস ৩৫০ টাকা, কক ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গরু ৪৭০ টাকায় এবং খাসির মাংস ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেল ৪০ পিস, পেয়ারা কেজি ১২০, আতাফল কেজি ২০০ টাকা, বরই ১২০ টাকা, আনারস হালি ১২০, সফেদা ৮০, আপেল ১২০ কেজি, মালটা দেড়শ টাকা, আঙ্গুর ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবজির দাম সম্পর্কে দক্ষিণ বনশ্রীর ২০নং সড়কের বাসিন্দা এনজিও কর্মী আলী হোসেন বলেন, ‘বাজার এখন কার দখলে বলতে পারব না, তবে আমরা যে জিম্মি হয়ে গেছি এটা বুঝতে পারছি।’ অপর ক্রেতা আকবর আলি বলেন, ‘সস্তায় শুধু টমেটো আর ডিম। মাছেও কিছু কম আছে। বাকি সব তো ধরা যাচ্ছে না।’ তবে সবজি বিক্রেতা আনিসুর রহমান বলেন, ‘শীত তো শেষ। শীতে সবজির সরবরাহ বেশি থাকে, এখন তা কমছে। তবুও তুলনামূলক দাম কম।’