ব্যবসায়ী রাজন হত্যা মামলায় তিন জনকে মৃত্যুদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে ব্যবসায়ী রাজন হত্যা মামলায় তিন জনকে মৃত্যুদন্ড ও তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  সোমবার দুপুরে ব্যবসায়ী রাজন হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন ঢাকা দায়রা জজ আদালত এ নির্দেশ দেন।  ব্যবসায়ী নেতা রাজন হত্যার বিচার দাবি   রাজধানীর কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্স মার্কেটের (১) সাধারণ সম্পাদক আরেফিন আবেদিন খান রাজনের (২৮) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।  পুরান ঢাকার জুড়িয়াটুলি লেন এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে ব্যবসায়ী ও নিহত রাজনের স্বজনরাও অংশ নেন।  মানববন্ধনের সময় বক্তারা বলেন, ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ও কম্পিউটার প্রকৌশলী রাজন হত্যাকাণ্ডের ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এর কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তাঁরা। এ সময় রাজনের বাবা ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।  ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্স মার্কেট থেকে রাজনকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর গুম করার জন্য কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যার ডাম্পিং স্পটে পুঁতে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এ ব্যাপারে তিনজনের নাম উল্লেখ করে কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করে রাজনের পরিবার।  ব্যবসায়ী রাজন হত্যা মামলার রায় সোমবার  রাজধানীর কাপ্তানবাজারের নিহত ব্যবসায়ী ও প্রকৌশলি আরেফিন আবেদীন খান রাজন হত্যা মামলার রায় আগামী সোমবার। ঢাকা দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচারকার্য চলছে। এ মামলায় অভিযুক্ত ৬ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হলেও দুইজন জামিনে রয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।  রাজন ছিলেন কাপ্তানবাজার এলাকার এরশাদ মার্কেটের‘বিক্রম পাওয়ার’নামে তার এনার্জি বাল্ব বিপণনকারী একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক । ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরের দিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চিতাখোলা এলাকার একটি ডোবা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ।  এ ঘটনায় রাজনের মা হোসনে আরা বেগম বাদি হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ছয়জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। গ্রেপ্তারকৃতরা তারা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।