প্রশ্ন ফাঁসে শেষ হলো এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের মধ্যদিয়ে শেষ হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। আজ (শনিবার) ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ের পরীক্ষার মধ্যদিয়ে এ বছরের এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। রোববার থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত।  শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সাধারণ আট বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভূগোল ও পরিবেশ, মাদসারা বোর্ডের উচ্চতর গণিত ও কারিগারি বোর্ডের অধীনে উচ্চতর গণিত-২, হিসাববিজ্ঞান-২, ভূগোল ও পরিবেশ এবং কৃষি শিক্ষা-২ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।   জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের শেষ দিনের পরীক্ষায় সারা দেশে মোট চার হাজার ৬২৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।  এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১২টি বিষয়ে প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মিলেছে। তবে কম পরীক্ষার্থী ও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন বিষয়গুলোর মতো শেষ দিনের ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি বলে জানা গেছে।  জানতে চাইলে ঢাকা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহেদুল খবির বলেন, ‘যে পরীক্ষাগুলোর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম এবং যেগুলো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেসব বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ তেমন পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে (ভূগোল ও পরিবেশ) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগও পাইনি।’  যদিও আগের পরীক্ষাগুলোর মতো শেষ দিনের ভূগোল পরীক্ষাতেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নের জন্য সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তৎপরতা দেখা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত এ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।  এবার প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে এসএসসি পরীক্ষা মূল্যায়ন কমিটি। সম্প্রতি এ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়েছেন মূল্যায়ণ কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর।  তিনি বলেন, কিছু আশিংক ও একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পুরোটাই ফাঁসের প্রমাণ মিলেছে। সে বিষয়ের পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া হবে।  উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথম পত্র বিষয় দিয়ে শুরু হয় এসএসসি পরীক্ষা। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ২০ লাখ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষা শেষের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে।