ছেলেকে মানুষ করতে না পারলে আল্লাহ যেন আমাকে উঠিয়ে নেন: অপু

: ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিচ্ছেদ নিয়ে কম হয়নি আলোচনা-সমালোচনা। যার চূড়ান্ত পরিণতি পাবে আর মাত্র চার দিন পর ২২ ফেব্রুয়ারি। সংসারের ভাঙন নিয়ে শাকিব-অপু পরস্পরকে দোষারোপ করছেন।  অপু বিশ্বাস এক গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তার সন্তান জয়কে মানুষ করতে না পারলে আত্মহত্যা করবেন বলে জানান।  অপু বিশ্বাস বলেন, অনেক কিছুর স্বপ্ন এখনো দেখিনি। তবে এরকম ইচ্ছে আছে আল্লাহ যেন আমাকে সেই তৌফিক দান করেন, আমি যেন আমার সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করতে পারি। যে মানুষটা আমার শ্বশুর-শাশুড়ি শাকিবকে করতে পারেননি। আমি যদি আমার বাচ্চাকে সে রকম মানুষ না করতে পারি আল্লাহ যেন আমাকে ওই দিনই পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নেন। আমি একটি কমিটমেন্ট করেছিলাম, তা রাখতে পারিনি, আল্লাহ যেন আমাকে উঠিয়ে নেন। না হলে আমি নিজেই আত্মহত্যা করব। কারণ, আমি আমার ছেলেকে মানুষ করতে পারিনি।   শাকিবকে নিয়ে অপু বলেন, আমার আর উপায় ছিল না। আমি অনেকভাবে শাকিবকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। বাচ্চার কথা বলেছি। শাকিব কোনো কিছুই মানতে রাজি ছিল না। তখন আমার নিজের কোনো স্বীকৃতি ছিল না। আমার সন্তানের স্বীকৃতি ছিল না। একজন মা হিসেবে এর চেয়ে বেদনার আর কী হতে পারে। আমার কাছে উপায় ছিল না বলেই আমি গণমাধ্যমে এসে মুখ খুলেছি। এটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই।    জেনে রাখান ভাল, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। বিয়ের ব্যাপারটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রেখে তারা দুজন সমানতালে সিনেমার শুটিং অব্যাহত রাখেন। ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল বিকেলে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সের ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন অপু। সেদিন অপু বলেন, আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।  বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসার পর দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দুজনের।  উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসের ঢাকার বাসা ও বগুড়ার ঠিকানায় রেজিস্ট্রি করা হলফনামা আকারে তালাকনামা পাঠান শাকিব খান। যার প্রেক্ষিতে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ইতি ঘটতে যাচ্ছে তাদের সম্পর্কের।