ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না: প্রধানমন্ত্রী

32

ভোট চুরি করলে দেশের জনগণ ছেড়ে দেয় না, ক্ষমা করে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটা নির্বাচন করে, ভোটারবিহীন নির্বাচন। সেই সময় তাদের ভোট কারচুপি, নানা ধরনের অপকর্মের কারণে সব দলই কিন্তু নির্বাচনটা বয়কট করেছিল। জনগণের ভোট চুরি করেছিল বলেই কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ সে নির্বাচনকে মেনে নেয়নি। তখন তীব্র প্রতিবাদ হয়, গণআন্দোলন হয় এবং যার ফলে খালেদা জিয়ার পতন হয়। মাত্র দেড় মাসের মাথায় ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে খেলা, কারচুপি এটা কিন্তু বিএনপি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই শুরু করেছে। যেটা ৯৬ সালেও আমরা দেখলাম—১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। আবার ২০০৬ সালে এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার দিয়ে তারা নির্বাচন করার একটা প্রহসন শুরু করলো। এ দেশের মানুষ কিন্তু কেউ ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে তাদের ক্ষমা করে না, মানুষ কিন্তু ছেড়ে দেয় না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখনই ক্ষমতা এসেছে, তখনই তারা জনগণের ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।’

লুটের টাকায় তারেক দেশের বদনাম করছে

লন্ডনে পালিয়ে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক জিয়ার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন বিদেশে বসেই দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা, এটাই তার কাজ। আর এই যে মানি লন্ডারিং করে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে, সেটা এখন দেশের বিরুদ্ধে বদনাম করতে ব্যবহার করছে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলটির কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।