নাদিয়াকে চাপা দেওয়া বাসের চালক ও হেলপার গ্রেপ্তার

17

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাদিয়া আক্তারকে চাপা দেওয়া বাসটির চালক ও তার সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের পুলিশের উপকমিশনার মো. আব্দুল আহাদ জানান, ভিক্টর পরিবহনের ওই বাসের চালক মো. লিটন (৩৪) ও সহকারী আবুল খায়েরকে (২২) ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে; তাদের দুজনের বাড়িই ভোলায়।

বাসের ধাক্কায় ২৪ বছর বয়সী নাদিয়ার মৃত্যু হয় রোববার দুপুরে। বন্ধু মেহেদী হাসানের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যমুনা ফিউচার পার্কে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। ভিক্টর পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দিলে নাদিয়া সড়কে ছিটকে পড়েন। পরে ওই বাসের নিচে পিষ্ট হয়ে তার প্রাণ যায়।

পুলিশ সে সসময় বাসটি আটকাতে পারলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গিয়েছিল।

ফার্মেসি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী নাদিয়ার বাড়ি নারায়গঞ্জের ফতুল্লা থানার চাষাড়ায়। তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম একটি পোশাক কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক। তিন বোনের মধ্যে সবার বড় নাদিয়া এক সপ্তাহ আগেই নারায়ণগঞ্জের বাসা ছেড়ে উত্তরায় একটি হোস্টেলে উঠেছিলেন।

<div class="paragraphs"><p>নিহত নাদিয়া আক্তার এক সপ্তাহ আগেই নারায়ণগঞ্জের বাসা ছেড়ে উত্তরায় একটি হোস্টেলে উঠেছিলেন।</p></div>

নিহত নাদিয়া আক্তার এক সপ্তাহ আগেই নারায়ণগঞ্জের বাসা ছেড়ে উত্তরায় একটি হোস্টেলে উঠেছিলেন।

ওই দুর্ঘটনার পর পর কাওলা এলাকায় সড়ক অবরোধ করে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভিক্টর পরিবহনের ওই বাসের চালককে গ্রেপ্তার, নাদিয়ার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, ভিক্টর পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল এবং কাওলা এলাকায় বাস স্টপেজের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে সন্ধ্যায় তারা সড়ক থেকে সরে যান।

পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, বাস চাপায় নাদিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় ভাটারা থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়। ওই মামলাতেই চালক লিটন ও তার সহকারী খায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।