ধামরাইয়ে নিখোঁজের একদিন পর ভুট্টা ক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার

26

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে নিখোঁজের একদিন পর সোমবাগ ইউনিয়নের চরডাউটিয়া এলাকার ভুট্টা ক্ষেত থেকে মোঃ মনির হোসেন (৫৫) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। নিখোঁজের ঘটনায় মনির হোসেনের ছেলে রেজুয়ান বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে বাবাকে না পেয়ে আজ সোমরাব দুপুরের দিকে থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন।

নিহত মনির হোসেন কালামপুর বিসিক শিল্পনগরীর ভ্যালেন্টেড কারখানায় চাকরী করতেন। এর আগে মনির হোসেন রোববার (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টার সময় স্ত্রীর ঔষুধ কেনার জন্য কালামপুর বাসস্ট্যান্ডে যান।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টারদিকে ধামরাই উপজেলার সোমবাগ ইউনিয়নের চরডাউটিয়া এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনির হোসেন উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের আটিমাইঠান গ্রামের মৃত হাজী ইসরাফিলের ছেলে। সে বর্তমানে চরডাউটিয়া গ্রামের শ^শুর মৃত ফজলুল হকের বাড়ীতে থাকেন। ধামরাই উপজেলার সোমবাগ ইউনিয়নের চরডাউটিয়া এলাকায় একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশ দিয়ে কৃষক তার জমি পরিস্কার করতে গিয়ে দেখে ভুট্টা ক্ষেতের ভিতরে একটি লাশ পড়ে আছে। পরে ঐ কৃষক চিৎকার করে এলকার লোকজনকে লাশের কথা জানায়। এলাকার লোকজন এসে লাশটি দেখে ধামরাই থানার পুলিশকে খবর দেয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। লাশটি ময়না তদন্ত জন্য ঢাকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতলে পাঠান। জিডি সূত্রে জানা যায়, মনির হোসেন তার স্ত্রীর জন্য ঔষুধ আনার কথা বলে রোববার বাড়ী থেকে কালামপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। কিন্তু সেই রাতে আর তিনি বাড়ী ফিরে আসে নাই। পরে সোমবার মনির হোসেনকে অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে তার ছেলে রেজুয়ান ধামরাই থানায় গিয়ে একটি জিডি করেন। জিডি নং-১০৬৫। জিডি করার কয়েক ঘন্টা পর ডাউটিয়া এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ।

এই বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, মনির হোসেন হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দেয়নি। লাশটি ময়না তদন্ত জন্য ঢাকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে নিহতের বিষয়টি উদঘাটন করা হবে।