ঢাকায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

32

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। ঢাকার শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেছে। ফলে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে বেশি। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) খানিকটা সূর্যের দেখা মিললে সকালের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ে। তবে পরে আবার তা কমে যায়। আজ ঢাকায় এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে আগামী দুই দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে শীতের তীব্রতা একইরকম থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে দেশের সব অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে অনেক। বৃহস্পতিবার ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আছে ১১ অঞ্চলের তাপমাত্রা।  এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ২,  ঈশ্বরদীতে ৯ দশমিক ৫, সৈয়দপুরে ৯ দশমিক ৬,   দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৮, কুমারখালি, তেঁতুলিয়া ও রাজশাহীতে ১০, বদলগাছিতে ১০ দশমিক ২, বগুড়ায় ১০ দশমিক ৫, ডিমলায় ১০ দশমিক ৬, রংপুরে ১০ দশমিক ৮  ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৭ আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ঢাকার এই তাপমাত্রা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা৷ আগামী দুইদিন এই তীব্রতা থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশার বিষয়ে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি দেশের কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা পার্থক্য হ্রাসের কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।