আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দাওয়াত পাবে বিএনপি

46

অর্থনৈতিক মন্দা বিবেচনায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন সাদামাটা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। একই সঙ্গে সমাবেশ সংক্ষিপ্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই সম্মেলন সাদামাটা এবং সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে বলে দাবি নানকের।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বিবেচনায় দলের সম্মেলন সাদামাটা ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে হবে।আমাদের দলের সভাপতির এমন নির্দেশনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলন অত্যন্ত অর্থবহ হবে। ’

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির পক্ষ থেকে সম্মেলনস্থল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এ বছর আওয়ামী লীগের সম্মেলন এক দিনে শেষ করা হবে জানিয়ে নানক বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। দীর্ঘ সময় ধরে দুই দিনব্যাপী আমাদের কাউন্সিল সম্পন্ন হয়ে আসছিল। কিন্তু এবারে খরচ কমানোর লক্ষ্যে দুই দিনের জায়গায় এক দিন করার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের সভাপতি এবং এক দিনেই তা সম্পন্ন হবে। ’

সম্মেলন সংক্ষিপ্ত হলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের ঘাটতে থাকবে না উল্লেখ করে নানক আরো বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ঘিরে সারা দেশ নতুন সাজে সজ্জিত করা হতো। এবার কোথাও সাজসজ্জার দিকে যাচ্ছি না। তবে সাদামাটা করা হলেও আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী, কাউন্সিলর, ডেলিগেটরা আসবেন। তাদের উচ্ছ্বাসের কোনো ঘাটতি থাকবে না।

কাউন্সিলে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, ‘এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমন্ত্রণ জানোনাটাই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। আমরা প্রতিবারেই তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকি। ’

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। এই দলটি বলেছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পর এবার আসন্ন কাউন্সিল আমাদের বক্তব্য আসছে, নতুন প্রত্যয়বাদ আসছে। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। ’

এ সময়ে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, এটা (সম্মেলন) একটা বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হবে। এই মিলনমেলায় সারা দেশের তরুণ-প্রবীণ নেতাকর্মীরা যারা আওয়ামী লীগের সাথে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে সারা জীবন কাজ করেছে, তাদের এই অংশগ্রহণ একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর প্রমুখ।