বাংলাদেশ শনিবার 20, January 2018 - ৬, মাঘ, ১৪২৪ বাংলা

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করার কোনো কথা সংবিধানে নেই: মওদুদ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত ১৭:৩৫ জানুয়ারী ১৩, ২০১৮

 ‘নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করার কোনো কথা সংবিধানে নেই, কিন্তু এমন বক্তব্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয়তলার কনফারেন্স লাউঞ্জে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট আয়োজিত ‘বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক প্রতিবাদ সভায় মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন।
মওদুদ আহমেদ বলেন, মাজদার হোসেন মামলার রায়ের মাধ্যমে বিচারবিভাগ পৃথকীকরণের মৃত্যু হয়েছে, তা বলেননি। দেশের গণতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, তাও বলেননি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, প্রধান বিচারপতিকে অপসারণের মাধ্যমে সরকার সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতার মৃত্যু ঘটিয়েছে। ‘কীভাবে ব্ল্যাকমেইল করে অপসারণ করানো যায় তা দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ বলেও মন্তব্য করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রায় সব সদস্যই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। তারপরও কোরাম (৬০ সদস্য) সংকট হয়। কিভাবে তিনি সংসদ চালান, ভাষণে তা বলেননি।
বর্তমান সংসদে অনির্বাচিত সংসদ সদস্য বেশি, কি করে তারা নির্বাচিত হলেন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তা বলতেও ভুলে গেছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গতকাল যে বক্তব্য দিয়েছেন তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, তার ভাষণে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ফুলকা হয়ে গেছে, বিএনপিকে নিশ্ছিন্ন করে দেওয়ার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগের টেন্ডারবাজী, ব্যবস্থা দখল, দোকান দখল, ধর্ষণ, গুম, খুনের বিষয় উঠে আসেনি। মওদুদ আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। কিন্তু সেখানে জনগণের দুঃখ কষ্টের কোনো প্রতিফলন নেই। তার ভাষণে কেবল তার সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সরকার যে উন্নয়ন মেলা করেছে, সেটা আসলে দুর্নীতি মেলা। কেননা, সরকার সব বড় বড় প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। আর বড় বড় প্রকল্প মানে বেশি বেশি দুর্নীতি। বড় বড় প্রকল্প মানে বেশি বেশি ঘুষ। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে। বিএনপি এই নেতা আরো বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এবং আমাদের বিরুদ্ধে যতই মামলা দেওয়া হোক না কেন- কোনোকিছুর মাধ্যমে আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবেন না।’ সভায় আয়োজক সংগঠন ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ধোঁয়াশাপূর্ণ-বিভ্রান্তিকর: ফখরুল
স্টাফ রিপোর্টার  : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতকাল সন্ধ্যায় দেয়া জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণকে ‘খুবই অস্পষ্ট, ধোঁয়াশাপূর্ণ এবং বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, তাঁর ভাষণ জাতিকে হতাশ, বিস্ময়-বিমূঢ় এবং উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই ভাষণে বিদ্যমান জাতীয় সঙ্কট নিরসনে স্পষ্ট কোনও রূপরেখা নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন তা খুবই অস্পষ্ট, ধোঁয়াশাপূর্ণ এবং বিভ্রান্তিকর । শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। গতকাল সন্ধ্যায় দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে বিএনপির পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জাতি আশা করেছিল তার প্রধানমন্ত্রিত্বের এই মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার এক বছর আগেই তিনি যে ভাষণ দেবেন সে ভাষণে থাকবে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা, জাতীয় সংকট নিরসনে একটি স্পষ্ট রূপরেখা এবং জনগণের উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তা দূর করার জন্য থাকবে বিভ্রান্তির বেড়াজালমুক্ত কর্ম পদক্ষেপ।’
ফখরুল বলেন, ‘পাকিস্তানের স্বৈর-সামরিক শাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান তাঁর শাসনের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উন্নয়ন দশক (উবপধফব ড়ভ উবাবষড়ঢ়সবহঃ) পালন করেছিলেন। গণতন্ত্রহীন তথাকথিত উন্নয়ন জনগণ গ্রহণ করেনি। পরিণতিতে তাঁর মত ‘লৌহমানব’কে ক্ষমতা থেকে সমস্ত পাকিস্তানব্যাপী গণঅভ্য্ত্থুানের মুখে বিদায় নিতে হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ‘উন্নয়নমেলা ’ করছে।’
‘ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস পাকিস্তানী আমলের স্বৈরশাসক ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য যে ধরনের চমকের আশ্রয় নিয়েছিলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারও সেই একই পথে হাঁটছে। এ দেশের সচেতন জনগণ সবকিছু জানে ও বোঝে। সুতরাং এ ব্যাপারে আমাদের কোনও মন্তব্য বাহুল্যই হবে মাত্র।’  
লিখিত বক্তব্যে ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তাঁর শাসনামলে উন্নয়নের এক চোখ ধাঁধাঁনো বয়ান পেশ করেছেন। বিশেষ করে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে তাঁদের দাবির সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানও একমত হতে পারেনি।’
‘জানুয়ারি / ২০১৭ এর বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস থেকে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৩ শতাংশের বেশি  হবে না। অথচ অর্থমন্ত্রী দাবি করেছিলেন এই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে হবে না। অন্যদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য সরকারের জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.২ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে বিশ্বব্যাংক মনে করে। অথচ সরকার এ অর্থবছরে ৭.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এ ভাবে প্রায় প্রতি বছরই প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত সরকারি প্রাক্কলেনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলো দ্বিমত পোষণ করে আসছে।’ -বলছিলেন ফখরুল।
তার ভাষায়, ‘আমাদের প্রশ্ন হলো, জনগণ কোন তথ্য বিশ্বাস করবে? অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, প্রবৃদ্ধির হারের সঙ্গে অন্যান্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের একটি সহসম্পর্ক থাকার কথা। কিন্তু আমদানি- রপ্তানি, বৈদেশিক র‌্যামিট্যান্স, ঋণ প্রবাহ প্রভৃতির সঙ্গে সরকারের প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রাক্কলনের সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায় না। পরিসংখ্যানের তেলেসমাতি করে সরকার বরাবরই জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রীও তাই করলেন।’
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি শ্লথ হয়ে গিয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের উপাত্ত অনুযায়ী- ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বার্ষিক হার ৩.১ শতাংশ হলেও ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বার্ষিক হার ১.৮ শতাংশে নেমে আসে। যা অর্থনীতিতে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করণ ও সুবিধাবঞ্চিতদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রবৃদ্ধির ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
ফখরুল বলেন, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ও নিম্ন  আয়ের মানুষদের দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।  যে কারণে ২০১৭ সালের মে মাস থেকে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। গড় সাধারণ মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ ৫.৫৯ শতাংশ হয়। এদিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়ে অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ ৬.৮৯ শতাংশে উন্নীত হয় যদিও খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর মাসের ৩.৮১ শতাংশ থেকে কিছুটা হ্রাস পেয়ে ৩.৬৫ শতাংশ হয়। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন হ্রাস, প্রকৃত মজুরি কমে যাওয়ার প্রবণতা ও কর্মসংস্থানের অভাব একদিকে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার মানের উপর প্রতিকূল প্রভাব সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির সম্মুখীন করছে।
‘বর্তমান সরকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের বয়ানকে দৃশ্যমান করার জন্য কোশেস করছে। মেগা-প্রকল্পগুলো নিয়ে গণমাধ্যম ইতোমধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করছে। এ সব প্রকল্পের ব্যয় ভারত, চীন ও ইউরোপের দেশগুলোর তুলনায় দুই থেকে তিন গুন বেশি। সঠিক সময়ে প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত না হওয়ায় একাধিকবার প্রকল্প-ব্যয় উর্ধ্বমুখী সংশোধন করতে হচ্ছে। ফলে এ সব প্রকল্প থেকে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ সুদূরপরাহত হয়ে পড়েছে।’  
বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একটি জাতীয় দৈনিকের হিসেব অনুযায়ী মার্চ ২০১৭ শেষে দেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৭৩ হাজার ৪ শত ৯ কোটি টাকা, যা ব্যাংকের মোট ঋণের ১০.৫৩%। ২০১৬ মার্চে খেলাপি ঋণ ছিল ৫৯ হাজার ৪ শত ১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আরও ৪৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে এসব মন্দ ঋণ আর্থিক প্রতিবেদন থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এ তথ্য খেলাপির হিসাবে নিলে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। হিসাবটি আঁতকে ওঠার মতো। ২০১০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি টিম সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্ক গ্রুপ অবৈধভাবে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার ঋণ নেয়ার জালিয়াতি শনাক্ত করে। এরপর একে একে বিসমিল্লাহ গ্রুপ, ডেসটিনি গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি এবং বেসিক ব্যাংকসহ দেশের অনেক রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতি ও জনগণের অর্থ লোপাটের লোমহর্ষক খবর দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হতে থাকে।
‘দেশের মানুষের রক্ত চুষে হাজার কোটি টাকা বিদেশে প্রেরণ করার ফলে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কমে এসেছে’ দাবি করে ফখরুল বলেন, মানুষ নি:স্ব হচ্ছে আর বেকার সমস্যা বাড়ছে। মানুষের মৌলিক অধিকার লুন্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু টাকা পাচার রোধে দৃশ্যত সরকারের কোন রাজনৈতিক সদিচ্ছা নাই। কারণ দেশের ভেতর বিভিন্ন ভাবে  লুটপাট করে অবৈধভাবে অর্জিত এসব টাকা বিদেশে পাচার করার সাথে যারা জড়িত তাদের অধিকাংশই আওয়ামী ঘরানার লোক বা আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে সম্পূর্ণভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বতোভাবে নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে”।
এ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নির্বাচনকে ঘিরে বিদ্যমান সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলেছে। সংবিধানে     “নির্বাচনকালীন  সরকার” সম্পর্কে স্পষ্ট কোন বিধান নেই। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী যদি সংসদ বহাল রেখে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তা হলে সেই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। কারণ সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় নির্বাচনকালীন সরকারও হবে বিদ্যমান সরকারেরই অনুরুপ। সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকার কেবল রুটিন ওয়ার্ক করবে- এমন কিছু উল্লেখ নেই। সংবিধানের ১৫তম ও ১৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের শাসনকে পাকাপোক্ত করার একটি ব্যবস্থাই করা হয়েছে মাত্র। সংবিধান ও গণতন্ত্র সবসময় সমার্থক বা সমান্তরাল হয় না। তাই যদি হতো তা হলে হিটলার ও মুসোলিনির শাসনকেও গণতান্ত্রিক বলা যেত। কারণ তাদের শাসনও সংবিধান অনুযায়ীই ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী যদি আন্তরিকভাবে নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে নতুন কিছু ভেবে থাকেন তা হলে তাঁর উচিত হবে এ নিয়ে সকল স্টেক-হোল্ডারদের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নেয়া। আমাদের দল মনে করে, একটি আন্তরিক ও হৃদ্যতপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে ২০১৮’র নির্বাচন সম্পর্কে অর্থবহ সমাধানে আসা সম্ভব। নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কেমন হতে পারে, তা নিয়ে আমাদের দলের একটি চিন্তা-ভাবনা আছে।
‘একটি সুন্দর পরিবেশে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হলে জাতির মনে যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আস্থা রাখতে চাই,’ - যোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

রাজশাহীতে অতিরিক্ত মদপানে কলেজছাত্রীর মৃত্যু
রাজশাহী সংবাদদাতা : রাজশাহীতে রিতু খাতুন (২০) নামে এক কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অতিরিক্ত মদপানের কারণে রিতুর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর মতিহার থানা পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে রিতুর লাশ উদ্ধার করেছে। রিতু নগরীর ডাশমারী পূর্বপাড়া মহল্লার মৃত নেকবর হোসেনের মেয়ে। 

মতিহার থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, স্নাতক দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী রিতু নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। শনিবার সকালে বাড়িতে রিতু মারা যায়। পরে খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার শরীরে মদের গন্ধ পাওয়া যায়। ওসি বলেন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রিতুর লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

‘হিজড়া’ পরিচয়ে ভোটার করতে ইসির উদ্যোগ
স্টাফ রিপোর্টার : হিজড়াদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির চার বছর পর ভোটার তালিকায় ‘লিঙ্গ পরিচয়ে’ তা অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য ভোটার তালিকা আইন-২০০৯ ও ভোটার তালিকা বিধিমালা-২০১২ এ সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। সেক্ষেত্রে আগামী হালনাগাদেই ‘নারী’ ও ‘পুরুষের’ বাইরে ‘হিজড়া’ পরিচয়ে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন তারা। ভোটারদের তথ্য সংগ্রহে নিবন্ধন ফরমের ১৭ নম্বর ক্রমিকে ‘লিঙ্গ পরিচয়’ ছকে এ ‘হিজড়া’ যোগ করা হবে। বর্তমানে ১০ কোটিরও বেশি ভোটার রয়েছে। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ণের শুরু থেকে যোগ্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রও দেওয়া হয়। এসময় হিজড়ারা ভোটার হয়ে এলেও তারা নারী বা পুরুষ ঐচ্ছিক পরিচয়ে ভোটার হতেন। ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে হিজড়াদের ‘লিঙ্গ পরিচয়কে’ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে এ সংক্রান্ত ‘নীতিমালা অনুমোদন করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ভোটার নিবন্ধন বিধিমালা প্রণয়নের সময়ই নির্বাচন কমিশন ‘হিজড়া’র অপশন প্রস্তাবিত নিবন্ধন ফরমে যুক্ত করে। কিন্তু ভোটার তালিকা আইন ও ভোটার তালিকা বিধিমালা সংশোধন না হওয়ায় তা কার্যকর হচ্ছিল না। ইসি সচিবালয় গত ২৭ ডিসেম্বর আইন-বিধি সংশোধনের বিষয়ে কমিশন সভায় উপস্থাপন করে। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ছিলেন হিজড়া নাদিরা খানম (চাদর গায়ে) রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ছিলেন হিজড়া নাদিরা খানম (চাদর গায়ে) এতে বলা হয়, ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৭ নম্বর সয়রক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে একজন হিজড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি হিজড়া জনগোষ্ঠীকে লিঙ্গ পরিচয় স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। হিজড়ারা ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। “কিন্তু তথ্য সংগ্রহে লিঙ্গ পরিচয় হিসেবে নারী ও পুরুষের পাশাপাশি হিজড়া উল্লেখ করে বিদ্যমান আইন-বিধি সংশোধনের প্রয়োজন।”জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্মসচিব খোন্দকার মিজানুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভোটার তালিকা আইন ও বিধিমালায় সংশোধনী আনার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত পাওয়া গেছে। পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষ হলেই আগামীতে তথ্য সংগ্রহের সময়ই হিজড়া পরিচয়ে তারা ভোটার হতে পারবেন।” সমাজসেবা অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার হিজড়া রয়েছেন।


শেখ হাসিনাকে আরো কয়েকবার ক্ষমতায় থাকা দরকার : হাছান মাহমুদ
স্টাফ রিপোর্টার : সংবিধানের আলোকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত বর্তমান সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানান। আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০১৮ সাল নির্বাচনের বছর। এই বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। আবারও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা না করে অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে বিএনপির প্রতি আহবান জানান তিনি। বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের সমালোচনা না করে এই ভাষণকে অভিনন্দন জানিয়ে আগামি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা নয় বছরের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা উল্লেখ করে বলেন, জুয়েল আইচ বা পিসি সরকারের জাদুর কাঠির ছোয়ায় দেশে এই ব্যাপক উন্নয়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বের ছোঁয়ায় এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আরো কয়েকবার ক্ষমতায় থাকা দরকার। তাহলে বিশ্বের মানুষ উন্নয়নের উদাহরণ হিসেবে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর নয় বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শুনবে। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ। 
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ব্যর্থতার আর্তনাদ: দুদু
স্টাফ রিপোর্টার : জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ভাষণকে হতাশ ও ব্যর্থতার আর্তনাদ বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের পরদিন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার 'দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন' আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম সহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি ইউনূস মৃধাসহ সকল রাজবন্দির নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে দুদু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে অনেক সফলতার কথা বলেননি। তিনি অসংখ্য মানুষকে গুম ও খুন করছেন। হাজার-হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাঁচার আর লোপাট করা হয়েছে। কিন্তু এসব বিষয়ে তিনি কোন কথা বলেননি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ৫ জানুয়ারির নির্বাচন আর কেউ সমর্থন করেনি। সেই নির্বাচন থেকে বের হয়ে সকলের গ্রহনযোগ্য কোন নির্বাচন দেবেন কি না তা বলা হয়নি। বিরোধী দলের সাথে নির্বাচনী সমঝোতার আলোচনায় বসবেন কি না  তাও স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে শামসুজ্জামান দুদু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে অহঙ্কার করেছেন। ভুয়া সাফল্যর কথা বলেছেন। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন- সরকার আর বেশি দিন ক্ষমতায় নাই। তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশে ভালো নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়। তাই তার পদত্যাগ করা ছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ নাই।
তিনি বলেন, সুতরাং রাস্তায় আন্দোলন নয়, শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করার জন্য সামনের দিনে কি আন্দোলন আসছে, সেটা আওয়ামী লীগ কল্পনাও করতে পারবে না।

জ্বালানিখাত আমদানিমুখী হলে
বৈদেশিক মুদ্রার চাপ বাড়বে অর্থনীতিতে
স্টাফ রিপোর্টার : ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের জ্বালানিতে আমদানি নির্ভরতা থাকবে প্রায় ৯২ শতাংশ। যা ২০৪০-এ গিয়ে দাঁড়াবে শতভাগে। অথচ, সেই বছর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ৬০ হাজার মেগাওয়াট। এটি করলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার চাপ নিতে হবে অর্থনীতিকে। যেটা ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদজনক হয়ে পড়বে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। আর নিয়ে উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ টানা হলেও, সে যুক্তিকে একেবারেই খোঁড়া বলছেন কেউ কেউ। বিশাল আকারের বেশ কয়েকটি কেন্দ্র নিয়ে দাঁড়িয়ে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ হাব আশুগঞ্জ। যেখানে শতভাগ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে দেশীয় গ্যাস। কিন্তু, ধীরে ধীরে চাপ এবং সরবরাহ কমতে থাকায়, উৎপাদনের লক্ষ্য পূরণ করতে হিমশিম খেতে হয় প্রায়ই। বন্ধ রাখতে হয় কোনো কোনো কেন্দ্রও। আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ হাব ঘিরে গ্যাস সরবরাহের প্রত্যাশা থাকলেও, অন্য কেন্দ্রগুলোর ভবিষ্যত আটকে আমদানি করা জ্বালানিতে। কিন্তু তারপরও এই এলাকা ঘিরেই, ভবিষ্যতের জন্য নেয়া হচ্ছে গ্যাসভিত্তিক আরো বড় বড় প্রকল্প। গ্যাস খাতের মহাপরিকল্পনা বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের জ্বালানিতে বিদেশি নির্ভরতা থাকবে প্রায় ৯২ শতাংশ। যা, ২০৪০-এ গিয়ে দাঁড়াবে শতভাগে। অথচ, সেই বছর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ৬০ হাজার মেগাওয়াট। যার আবার ৮৪ শতাংশই আসবে প্রধান তিন জ্বালানি গ্যাস, কয়লা এবং তেল থেকে। বিদেশ থেকে জ্বালানি কিনে বিদ্যুৎ তৈরি করতে গেলে বড় চাপ পড়বে অর্থনীতিতে। কেননা হিসাব বলছে, ২০৩০ থেকেই আমদানি বাবদ বাড়তি খরচ করতে হবে বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার করে। যা ২০৪০ নাগাদ ছাড়িয়ে যেতে পারে ৩০ বিলিয়ন। ফলে এই টাকা জোগাড় করাও হবে বড় চ্যালেঞ্জের। এছাড়া কয়েকগুণ উৎপাদন খরচ বাড়লে সে প্রভাবও পড়বে জনজীবনে। তবে এ বিষয়ে সরকার থেকে শতভাগ জ্বালানি আমদানি নির্ভর দেশগুলোর উদাহরণ টানা হলেও, বিশ্লেষকরা মনে করেন-সেটি একেবারেই অযৌক্তিক। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সালেক সুফী বলেন, এখনই আমদানিকে একমাত্র অবলম্বন হিসেবে না নিয়ে, বরং আরো চেষ্টা করা উচিৎ দেশের ভেতরে সম্পদ অনুসন্ধানের। বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয় লিড ইকোনোমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, একটি বড় অংকের পেমেন্টের বোঝা অর্থনীতির উপর এসে পড়বে এতে কোনো সন্দেহ নেই। কাজেই রপ্তানি শিল্পায়ন হতে হবে। কাজেই আমরা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে যে পণ্যগুলো উৎপাদন করছি সেগুলো বিক্রি করে অর্থ পরিশোধ করতে পারি।

বিকাশের অবৈধ অর্থ লেনদেন; তদন্তে সিআইডি
স্টাফ রিপোর্টার : বিকাশে অবৈধ অর্থ লেনদেন বা হুন্ডির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে সিআইডি। এদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সিআইডিকে অনুমোদন দিয়েছে। সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত এবং মাদক চোরাকারবারিরাও বিকাশে অর্থ লেনদেন করছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অতি সাধারণ মানুষও যখন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই প্রশ্নবিদ্ধ বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম। লেনদেনের তথ্য সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এদের বিরদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সিআইডির কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, বিকাশে অসাধু এজেন্ট বা বিকাশের অনেক এজেন্ট এর সাথে জড়িত থাকতে পারে। তাদের মাধ্যমে এক ধরনের অসাধু কাজ চলছে। টেকনাফের কোন এজেন্টের কাছ থেকে কেউ টাকা পাচ্ছে তা দিচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা বা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টাকা পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের প্রথম ধাপে ঢাকায় একটি ও সারা দেশে অতি সন্দেহভাজন ২৫টি একাউন্ট চিহ্নিত করেছে সিআইডি। হুন্ডি ও মাদকের অর্থ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় এরই মধ্যে সাত এজেন্ট গ্রেপ্তার ও আট এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অসাধু এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দুর্বলতা দূর করে একে আরো বিস্তৃত করতে হবে। ড. আতিউর রহমান বলেন, মুষ্টিময় অসাধু মানুষের কারণে কোটি কোটি মানুষ যে লাভটা পাচ্ছে, সেটা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। তবে অসাধুদের বেলায় কোনরকম ছাড় দেয়া উচিত না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ হাজার টাকার বেশি অর্থ লেনদেনে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিকাশ এজেন্টের সামনে উপস্থিত হতে হবে। সিআইডি বলেছে, এ শর্ত মানছে না বেশিরভাগ এজেন্ট। বিকাশ কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিয়মের বাইরে লেনদেনকারী এজেন্টদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে তারা তৎপর।

বিকাশের সিইএও বলেন, বিকাশ এজেন্টের সবাই জড়িত থাকে না। বিষয়টা সন্দেহজনক হলে সেটা তদন্ত করে বিচার করে পরে সিআইডিকে জানা হয়। দ্রুত অনিয়ম দূর করে অর্থ লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সার্ভিস চার্জ কমানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

রোহিঙ্গার ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা নিহত
কক্সবাজার সংবাদদাতা : কক্সবাজারের উখিয়ায় মমতাজ আহমদ (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক খুন হয়েছেন। আরিফ উল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা যুবকের ছুরিকাঘাতে মারা যান তিনি। শনিবার (১৩ জানয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উখিয়া থানার ওসি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইনে দুই বছর আগে আরিফ উল্লাহর ভাইকে হত্যা করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে মমতাজ। এরপর আরিফ উল্লাহও বাংলাদেশে এসে মমতাজকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে শনিবার দুপুরে উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পে পেয়ে মমতাজকে ছুরিকাঘাত করে আরিফ। এসময় ক্যাম্পে থাকা অন্য রোহিঙ্গারা মমতাজকে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় সে মারা যায়। পরে আরিফ উল্লাহকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করে পুলিশ।’ ওসি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন কোনও না কোনও ঘটনা ঘটাচ্ছে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা। এসব রোহিঙ্গাকে সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

মাংস নয়, ষাঁড়ের বীজ আমদানি করবে সরকার
স্টাফ রিপোর্টার : চাহিদা মেটাতে হিমায়িত মাংস আমদানি না করে ব্রাহামা জাতের ষাঁড়ের বীজ (সিমেন) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘বিফ ক্যাটল উন্নয়ন’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ‘ব্রাহামা’ জাতের ষাঁড়ের বীজ আমদানি করে মাংসল জাতের গরু দেশেই উৎপাদন করা হবে। যা থেকে দেশে মাংসের চাহিদা মেটানো যাবে। সম্প্রতি চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে হিমায়িত গরুর মাংস আমদানির আবেদন করেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানিয়েছেন, ‘দেশে লাল মাংসের চাহিদা মেটাতে অধিক মাংস উৎপাদনে সক্ষম ব্রাহামা জাতের মাংসল গরুর সিমেন আমদানি করা হবে। আর এই জাতের গরু উৎপাদনে যারা খামার প্রতিষ্ঠা করবে তাদের সহায়তা দেবে সরকার। ইতোমধ্যেই সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। আগামী ২/৩ বছরের মধ্যে ফলাফল পাওয়া যাবে।’
প্রসঙ্গত, সঠিক খাদ্য ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন করা ব্রাহামা জাতের গরুর গড় ওজন এক টন (এক হাজার কেজি) পর্যন্ত হয়। ইতোমধ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে ‘ব্রিড আপগ্রেডেশন থ্রু প্রেজেনি টেস্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘প্রুভেন বুল’ উৎপাদন করছে। এই ষাঁড়ের মাধ্যমেই গবাদি পশুর বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ অর্থবছর দেশে গরুর বীজ উৎপাদন হয় ২৫ লাখ ৮৪ হাজার ডোজ। এর মধ্যে হিমায়িত ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ও তরল ৭ লাখ ৮৭ হাজার লাখ ডোজ। এই বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ওই বছর গাভী উৎপাদন হয় ২২ লাখ ৭১ হাজারটি। ওই বছরের পর থেকে প্রতিবছরই গরুর বীজ উৎপাদন বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছর যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ লাখ ৮২ হাজার ডোজ। এর মধ্যে হিমায়িত ৩০ লাখ ডোজ ও আর তরল বীজ ১১ লাখ ৮২ হাজার ডোজ। যা ব্যবহার করে দেশে গতবছর গরু উৎপাদন হয়েছে ৩৬ লাখ ৬৮ হাজারটি। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘দেশে উৎপাদিত গরুর মাধ্যমে যদি মাংসের চাহিদা মেটানো যায় তাহলে কেন তা আমদানি করতে হবে? গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দিলে দেশের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার গরুর মাংস আমদানি না করে ব্রাহামা জাতের ষাঁড়ের বীজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘গরুর মাংস আমদানির সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি। ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির আবেদন করেছিল। কিন্তু আমরা তা আমলে নেইনি।’ গরুর মাংস আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শুধু ভারত কেন, কোনও দেশ থেকেই গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেওয়া ঠিক হবে না। এতে দেশের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এক সময় ভারতের গরু না এলে কোরবানি হতো না। কিন্তু এখন দেশে উৎপাদিত গরু দিয়েই কোরবানি হচ্ছে। তাই মাংসের চাহিদা মেটাতে সরকারের উন্নত জাতের গরুর বীজ আমদানির সিদ্ধান্ত প্রশংসার দাবি রাখে।’ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রাণীজ আমিষের প্রধান উৎস গরুর মাংস। বছরে দেশে চাহিদা আছে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন মাংসের।

হয়তো এবার আর সংলাপ হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, এবার হয়তো আর সংলাপ হবে না ।
শনিবার দুপুরে রাজধানীতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত 'নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা' শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তোফায়েল আহমেদ বলে,  গত নির্বাচনের আগে সংলাপের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামী লীগ। আর সেই কারণে এবার হয়তো আর সংলাপ হবে না। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ১১তম যে আমাদের সংসদ হতে যাচ্ছে, সে নির্বাচনে বিএনপি আসবেই। এখন ধরেন বলার জন্য তারা বলে সংলাপ হতে হবে। সংলাপ তো আমরা চেষ্টা করে আমরা প্রত্যাখ্যাত হয়েছি। সে জন্য আর হয়তো সংলাপের উদ্যোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধান অনুসারেই নির্বাচন হবে। সুতরাং আমরা আশা করি সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।’
নির্বাচনে যারা পরাজিত হয় তারা সবসময়ই কারচুপির অভিযোগ করে বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে সব দেশেই এখননির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। তারপরও যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তারা নির্বাচনে অংশ নেয়।
দেশের মানুষ এখন সচেতন, তাই যারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক আগামী নির্বাচনে মানুষ তাদেরই নির্বাচিত করবে বলেও মন্তব্য করেন তোফায়েল আহমেদ।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

সাভারে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন যুবলীগ নেতা তুহিন

সাভারে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন যুবলীগ নেতা তুহিন

সাভারে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে ধারাবাহিকভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক

সাভারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বই বিতরণী অনুষ্ঠান

সাভারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বই বিতরণী অনুষ্ঠান

  শিক্ষিত জাতি দেশের সম্পদ। যে সব দেশ বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা সকলেই শিক্ষায় অনেক

মানারাত ভার্সিটিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠান

মানারাত ভার্সিটিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠান

  মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্পিং সেমিস্টার ২০১৮ ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মানে নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


ধামরাইয়ে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

ধামরাইয়ে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

ঢাকা-২০ আসন, ধামরাইয়ের সংসদ সদস্য এমএ মালেক ও তার স্ত্রী মিনা মালেকের বিরুদ্ধে বে-সরকারী টেলিভিশন

ভোরের কাগজ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে সাভারে মানববন্ধন

ভোরের কাগজ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে সাভারে মানববন্ধন

দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক বরেন্য সাংবাদিক শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ও

মানিকগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী এলাকায় দুস্থদের মধ্যে  টুটুুলের শীতবস্ত্র বিতরণ

মানিকগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী এলাকায় দুস্থদের মধ্যে  টুটুুলের শীতবস্ত্র বিতরণ

 মানিকগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী এলাকার ১টি পৌর সভা ও ২৭টি ইউনিয়নের দুস্থ শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীত


দুর্বৃত্তের কাছে পরাজিত হচ্ছি: সুলতানা কামাল

দুর্বৃত্তের কাছে পরাজিত হচ্ছি: সুলতানা কামাল

 মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘অধিকার হারাতে হারাতে মানুষ হিসেবে নিজের মর্যাদা

হিজড়া পরিচয়ে ভোটার হওয়া যাবে : ইসি

হিজড়া পরিচয়ে ভোটার হওয়া যাবে : ইসি

 এখন থেকে হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) পরিচয়েও ভোটার হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভারপ্রাপ্ত

প্রাথমিক সমাপনীর ফলে প্রায় ৮০ হাজার আপত্তি

প্রাথমিক সমাপনীর ফলে প্রায় ৮০ হাজার আপত্তি

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে আপত্তি জানিয়েছে ৭৯ হাজার ৭০৯ জন



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ






শোক বাণী

শোক বাণী

১৯ জানুয়ারী, ২০১৮ ২৩:৩৩





হিজড়া পরিচয়ে ভোটার হওয়া যাবে : ইসি

হিজড়া পরিচয়ে ভোটার হওয়া যাবে : ইসি

১৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৯:৪৩